• শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন
  • English Version | Epaper
শিরোনাম :
কোম্পানীগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক নোয়াখালীতে ইসলামি হাসপাতাল সিলগালা লাইট হাউস ফরিদপুরের বিশ্বএইডস দিবস পালন ফরিদপুরে কর্মসম্পাদন চুক্তির আঞ্চলিক পর্যায়ের স্টক হোল্ডার দের সেমিনার অনুষ্ঠিত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও এনজিও সমূহের উদ্যোগে ফরিদপুরে বিশ্ব এইডস দিবস পালিত আলফাডাঙ্গায় স্বাস্থ্যসহকারীদের কর্মবিরতি অব্যাহত ফরিদপুরে ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্ধোধন ফরিদপুরের পুলিশ সুপারের কাছে অসহায় শীতার্তদের জন্য কম্বল দিলেন ডক্টর যশোদা জীবন দেবনাথ শীতার্তদের পাশে কম্বল নিয়ে হাজির ফরিদপুর পুলিশ সুপার বেগমগঞ্জে আ’লীগের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা
নোটিশ :
Wellcome to our website...

উপজেলা ও প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে চাঁদা আদায়কারী কে এই কাদের?

প্রথমসংবাদ ডেক্স : / ১১৮ বার
আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০

প্রতিবেদক:: কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল প্রতি ৮০ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ এসেছে যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদের বিরুদ্ধে। কয়েক বছর ধরে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আসছে দৌলতপুরে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ও স্থানীয় দালাল চক্র।

সরকার নির্ধারিত ফিস ৩৭০ টাকা ধার্য থাকলেও কয়েক বছর ধরে ১৮০০ টাকা গুনতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। মাননীয় সংসদ সদস্য সরোয়ার জাহান বাদশা নির্বাচিত হওয়ায় পর দৌলতপুর উপজেলা চত্বরে প্রতিটি সরকারি অফিসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি, কঠোর হুঁশিয়ারি কিছু দিন পর ১৮০০ টাকা ফিস ৫০০ টাকা চলে আসে । তার কিছু দিন যেতে না যেতেই আবার চাঁদা শুরু হয় দলিল প্রতি ৮০ টাকা ।

প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে ভিন্ন কৌশলে এই চাঁদা আদায় চলছে দীর্ঘদিন ধরে। দিন শেষে বিকালে হলে এই কোনায় ওই কোনায় বসে টাকা আদায় করছে একটি চক্র।

পে-অর্ডার করা দায়িত্বপ্রাপ্ত সবার নাম খাতায় লেখিয়ে কে কয়টা দলিলের পে-অর্ডার করেছে সোনালী ব্যাংকের রিসিভ করা ভাউচার গুনা গুনি করে তারপর সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দেয় একজনের কাছে। তারপর চলে যায় জায়গা মতন নেতা পকেটে। শুধু সাব-রেজিস্ট্রি নয়
দৌলতপুর সোনালী ব্যাংক কর্মচারী কর্মকর্তারাও জিম্মি নেতার কাছে। সোনালী ব্যাংকের রিসিভ করা ভাউচার বাহিরে কোন ব্যক্তির হাত দেওয়ার ক্ষমতা নেই কিন্তু স্থানীয় নেতা দাপটে এটাও সম্ভব। বর্তমান দৌলতপুরে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সকল দলিল লেখক নামধারী যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদেরর কাছে জিম্মি।

কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি ও বাংলাদেশ আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ এমপির ভাষ্য মতে কোন দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজ দলের মধ্যে থেকে বঙ্গবনন্ধুর হাতে গড়া আ’লীগের মান ক্ষুণ্য করলে তাকে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। সেই সাথে এলাকাবাসীর দাবি যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদেরের অর্জিত সম্পদের হিসাব দিতে হবে সুনির্দিষ্ট উৎস অনুযায়ী তবেই বেরিয়ে আসবে কালো বেরাল।

আরোও অনুসন্ধানে জানা যায়, দুর্নীতি চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানের নাম করে দৌলতপুর উপজেলা চত্বর থেকে বিভিন্ন প্রান্তরে ছুঁটে বেড়ান। জীবনের তাগিদে সাব রেজিস্ট্রি অফিস দলিল লেখার কাজে পরিশ্রম ও কষ্ট করে উপার্জিত অর্থ তুলে দিতে হয় যুবলীগ নেতা কাদেরের হাতে।

এ বিষয়ে দলিল লেখক সমিতির সাবেক সভাপতি সহ কয়েকজনের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন, এটা নতুন কিছু না দীর্ঘদিন ধরে আমরা দিয়ে আসছি দলিল প্রতি ৮০ টাকা। আসলে কিছু করার নেই আমাদের, আমরা দূর থেকে উপার্জনের জন্য ছুঁটে আসি, ভয় ভীতিতে আমাদের চাঁদা দিতে হয় কারণ কাদেরের অফিস উপজেলা গেটের সামনে চাঁদা না দিলে গেট দিয়ে ঢুকতে ও বের হতে সমস্যা সৃষ্টি হয়।

তাঁরা আরোও বলেন এই উপজেলা চত্বরের সবাই কাদেরের বিষয়ে জানে তাঁর পোষা কিছু মাসতানদের দিয়ে উপজেলা চত্বরটাকে ঘিরে রেখেছে। প্রশাসনসহ সর্বস্থরের মানুষ কাদের সম্পর্কে জানেন। অনেকে ভয়ে মুখ খুলতে চাননা তাঁর ভয়ে। প্রতিদিন কাদেরের কিছু ছেলে দলিল লেখা শেষ না হওয়া পর্যন্ত টেবিলের সামনে টপকি দিয়ে বসে থাকেন কত টাকা আয় হয়েছে দেখার জন্য। দিন শেষে বুঝে নেন টাকা দিতে না চাইলে অফিসে ঢুকতে দেবেনা বলে হুমকী দেয়। বিগত দিনে কিছু দলিল লেখক কাদের কর্তৃক লাঞ্চিত হয়েছে তাদের মধ্যে মহাতাব, কাসেম, বাবলু, মমিন, আরেজ, করিম মোল্লা, সহ আরো অনেকে।


এ জাতীয় আরো সংবাদ