শিরোনাম :
সেনবাগে কাবিলপুর একতা সমাজ সংঘের উদ্দ্যোগে ইফতার পার্টি ও ঈদ বস্র উপহার বিতরণ সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে ৪০০ পরিবারকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সেনবাগে সেলিম উদ্দিন কাজল এর উদ্দ্যোগে দেশবাসীর জন্য দোয়াও মেজবানী অনুষ্ঠিত সেনবাগে কাবিলমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সেনবাগে অসহায় গরীবের মাঝে প্যানেল চেয়ারম্যান স্বপনের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ফরিদপুর জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত মীনার স্বপ্নপূরণের সহযাত্রী ফরিদপুর জেলা প্রশাসন বৃহত্তর গোয়ালচামট বাসীর পক্ষ থেকে শান্তিনিবাসে ইফতার বিতরণ সেনবাগে পৌরমেয়র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম বাবুর করোনাকালীন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সচেতনতা মুলক স্টিকার ও মাস্ক বিতরণ করলো জনপ্রিয় সেচ্ছাসেবী সংঘঠন ত্রিশাল হেল্পলাইন
নোটিশ :
Wellcome to our website...

হাতিয়ায় বিদ্যুৎ নেই ৬ দিন, দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ছয় হাজার গ্রাহক

প্রথমসংবাদ ডেক্স : / ১২৯ বার
আপডেটের সময় : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২০

গিয়াস উদ্দিন রনি, নোয়াখালীঃ নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় গত শুক্রবার থেকে ৬দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে ছয় হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহককে।

উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও আবাসিক প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান বলছে, যান্ত্রিক ক্রুটির সমস্যায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায়, ৫০০ কেভির ৪টি জেনারেটর ইঞ্জিন পরপর নষ্ট হয়েছে। সর্বশেষ গত শুক্রবার ১ হাজার মেঘাওয়াটের ইঞ্জিনটি ও বিকল হয়ে পড়ে। ফলে এ উপজেলার সর্বত্র বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। শুধুমাত্র ৫০০ কেভির একটি ইঞ্জিন জেনারেটর দিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় নামে মাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা। ইতোমধ্যে ফ্রিজের সংরক্ষি বিভিন্ন সামগ্রী ও জরুরী ওষুধপত্র নষ্ট হতে চলেছে। কম্পিউটার, ফটোস্ট্যাট সহ বিভিন্ন ব্যবিসায়ীক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে গ্রাহকরা পড়েছে চরম দুর্ভোগে।

বাগেরহাট চাইনিজ এন্ড ফাষ্টফুড রেস্টুরেন্টের মালিক জানান, গত কয়েকদিন বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে আমার ফ্রিজে থাকা মাছ, গোস্ত, মসলা সহ প্রায় ৩০হাজার টাকার জিনিস পত্র নষ্ট হয়ে গিয়েছে। একই দুর্ভোগের কথা জানালেন মোহাম্মদিয়া হোটেলের মালিক আয়াত হোসেন জুয়েল।

হাতিয়ায় বড় ফলের আড়তদার জাকের হেসেন বলেন, আমরা ঢাকা থেকে ফল এনে এখালে ফ্যানের মাধ্যমে কুলিং সিষ্টেম করতে হয়। গত কয়েকদিন কারেন্ট না থাকায় আমার প্রায় ৫লক্ষ টাকার উপরে ফল পচে নষ্ট হয়ে গেছে।

উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও আবাসিক প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান জানান, ইঞ্জিন মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে ইঞ্জিন মেরামত করে বিদ্যুৎ চালু করতে আরো ১০-১৫ সময় লাগতে পারে।


এ জাতীয় আরো সংবাদ