• সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
  • English Version | Epaper
শিরোনাম :
ফরিদপুরে লকডাউনে চলছে ভ্রাম্যমান নিরাপদ মাছ বিক্রয় ফরিদপুরে টিসিবি’র ট্রাকসেল ও সচেতনতামূলক বাজার তদারকি ফরিদপুরে লাবলু মিয়া সড়কের পাশের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করলো প্রশাসন ফরিদপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গরীব দুস্থ ও অসহায় দের মধ্যে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠিত সেনবাগে অন্যের বসতবাড়ীর সীমানা দেয়াল ভাংচুর ও প্রাননাশের হুমকির অভিযোগ ফরিদপুর জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের উদ্যোগে স্বাস্হ্যবিধি পরিপালনে মাস্ক বিতরণ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে ফরিদপুরে ভার্চুয়ালি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুর শহর ছাত্রলীগের উদ্যোগে গরীব ও দুস্থদের মধ্যে ইফতার বিতরণ ময়মনসিংহের ত্রিশালে দ্বিতীয় দিনের মত চলছে সর্বাত্মক লকডাউন দোকান বন্ধ,চা বিক্রেতা হাফিজুর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য রাস্তায় হ্যান্ড মাইক নিয়ে প্রচারে ব্যস্থ
নোটিশ :
Wellcome to our website...

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অনুসরণ করতে হবে

প্রথমসংবাদ ডেক্স : / ২৫৩ বার
আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০১৯

এটা স্বস্তির ব্যাপার যে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সেবার ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। পেনশন ফাইল নিষ্পত্তির কথাই ধরা যাক।

এক সহকারী সচিবের মৃত্যুতে তার স্ত্রী পেনশন চেয়ে জেলা পর্যায়ে আবেদন করেছিলেন ২১ এপ্রিল। আবেদনটি পটুয়াখালী জেলা থেকে মন্ত্রণালয়ের শাখা পর্যায়ে আসে ২৬ মে।

এর দু’দিনের মাথায় সব ধাপ পার হয়ে ২৯ মে নথি অনুমোদন করেন সচিব মহোদয়। অর্থাৎ মন্ত্রণালয় পর্যায়ে ফাইলটি নিষ্পত্তি হতে সময় লেগেছে ৪ দিন। অনুরূপভাবে সাধারণ পেনশনের জন্য ’৮৫ ব্যাচের এক কর্মকর্তা আবেদন করেছিলেন ২৮ এপ্রিল। তার আবেদনটিও নিষ্পত্তি হয়ে গেছে এরই মধ্যে।

বলা যেতে পারে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক নতুন বাংলাদেশের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছেন আমাদের। পেনশন নিয়ে ভোগান্তি এক সাধারণ ঘটনা বাংলাদেশে।

মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয় আবেদনকারীদের। সামান্য ছল-ছুতায় হয়রানি করা হয় আর ভুক্তভোগীরা নির্দিষ্ট দফতরে যেতে যেতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। বলা বাহুল্য, পেনশন আবেদনকারীদের শেষ পর্যন্ত ঘুষের বিনিময়ে দফারফা করতে হয়।

এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটানো চাট্টিখানি কথা নয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই সর্বজনপ্রশংসিত তৎপরতার জন্য এর সচিব মহোদয় কৃতিত্বের দাবিদার। তিনি যুগান্তরকে বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন যেহেতু হয় জনগণের ট্যাক্সের টাকায়, সেহেতু জনগণকে সেবা দেয়াটাই তাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

জানা গেছে, আকস্মিক পরিদর্শনের পাশাপাশি তিনি জোরদার মনিটরিং ব্যবস্থা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছেন বলেই তার মন্ত্রণালয়ের সর্বত্র গতি সঞ্চারিত হয়েছে। এই মন্ত্রণালয় ঘিরে তদবির ও বদলি বাণিজ্যের যেসব অভিযোগ ছিল, সেগুলোও বলতে গেলে এখন আর নেই। পদোন্নতি ও পদায়ন থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয়ের সর্বত্রই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়েছে বলা যায়।

আমরা মনে করি, শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নয়, সরকারি সব দফতরেই কাজের গতি বাড়ানো দরকার। সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত। এক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রেরণার উৎস হতে পারে। এই মন্ত্রণালয়কে অনুসরণ করে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যদি পেনশন নিষ্পত্তি থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে কাজের গতি ফিরিয়ে আনতে পারে, তাহলে আমলাতন্ত্র সম্পর্কে মানুষের মধ্যে যে নেতিবাচক ধারণা বদ্ধমূল হয়ে আছে, সেই ধারণার অবসান ঘটবে।


এ জাতীয় আরো সংবাদ