শিরোনাম :
সেনবাগে কাবিলপুর একতা সমাজ সংঘের উদ্দ্যোগে ইফতার পার্টি ও ঈদ বস্র উপহার বিতরণ সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে ৪০০ পরিবারকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সেনবাগে সেলিম উদ্দিন কাজল এর উদ্দ্যোগে দেশবাসীর জন্য দোয়াও মেজবানী অনুষ্ঠিত সেনবাগে কাবিলমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সেনবাগে অসহায় গরীবের মাঝে প্যানেল চেয়ারম্যান স্বপনের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ফরিদপুর জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত মীনার স্বপ্নপূরণের সহযাত্রী ফরিদপুর জেলা প্রশাসন বৃহত্তর গোয়ালচামট বাসীর পক্ষ থেকে শান্তিনিবাসে ইফতার বিতরণ সেনবাগে পৌরমেয়র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম বাবুর করোনাকালীন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সচেতনতা মুলক স্টিকার ও মাস্ক বিতরণ করলো জনপ্রিয় সেচ্ছাসেবী সংঘঠন ত্রিশাল হেল্পলাইন
নোটিশ :
Wellcome to our website...

কানাইপুরে গভীর রাতে খামারে আগুন-গরু, ছাগল ও নিত্যপ্রোয়জনীয় সামগ্রী পুড়ে ছাই

প্রথমসংবাদ ডেক্স : / ৫০ বার
আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১

ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের খাসকান্দি মধ্যপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চা বিক্রেতা মোঃ বাচ্চু মিয়াজী (৫০) রান্না ঘরের সাথে যৌথ গরুর খামার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সহ মৌসুমী ফসল আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। এ সময় আগুনে উন্নত জাতের বিদেশি দুধেল গাভী ও বাছুরসহ তিনটা ছাগল পুড়ে ছাই হওয়ায় ওই দরিদ্র চা-বিক্রেতার আহাজারিতে শোকের বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। বাচ্চু মিয়াজী খাসকান্দি গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিন মিয়াজীর ছেলে।

ক্ষতিগ্রস্ত বাচ্চু মিয়াজী জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠাৎ প্রতিবেশী ডাক শুনে ঘুম ভেঙে যায়। ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়াল ঘরে আগুন জ্বলছে। পরে প্রতিবেশীদের নিয়ে অনেক চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি কিন্তু এরই মধ্যে গরু, ছাগল সহ গোয়াল ঘর পুড়ে যায়। এ সময় খামারে থাকা পাঁচটি পশু আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে দুইটি বিদেশি দুধেল গাভী ছিল।

এছাড়া গোয়ালঘরে নতুন চিরাইকৃত কাঠ বাঁশ সহ সাংসারিক নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী রাখা ছিল, সেগুলো পুড়ে ছাই হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকার অধিক। সব হারিয়ে আমি এখন পথে বসে গেছি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে চাইলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এটা দুর্বৃত্তায়নের কুট-কৌশল দ্বারাই সম্ভব। কারন গরুর খামারে কোনো প্রকার বৈদ্যুতিক লাইন ছিলোনা। এছাড়া অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে একই ভাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন ইউপি মেম্বর আবুল কাশেম ব্যাপারী।

কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, সম্প্রতি আমরা যেটা দেখতে পাচ্ছি যে আমার ইউনিয়নের হোগলাকান্দী গ্রামে গত সপ্তাহে একরাতে চারটা বাড়িতে আগুন দিয়েছে। গতকাল রাত্রে খাসকান্দি গ্রামে যে ঘটনাটি ঘটেছে খুবই দুঃখজনক উনি একজন দরিদ্র মানুষ পেশায় চায়ের দোকানদার। ওনার দুইটি গাভী এবং তিনটি ছাগল সহ গরুর খামারে আগুন ধরিয়ে দগ্ধ করেছে।

তিনি আরো বলেন, সরকারকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে একটি সংঘবদ্ধচক্র তথা একশ্রেণীর দুর্বৃত্তায়ন পরিকল্পিত ভাবে জনগনকে বোঝাতে চাচ্ছে দেশের আইন শৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে, তারা সুকৌশলে বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং পাশাপাশি প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তদন্ত সাপেক্ষে ইউনিয়নের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইউপি চেয়ারম্যানের সমন্বয়ে টহল পুলিশের দ্বারা জোরদার পাহারা নিশ্চিত করতে একান্ত দাবি করছি।


এ জাতীয় আরো সংবাদ