শিরোনাম :
সেনবাগে কাবিলপুর একতা সমাজ সংঘের উদ্দ্যোগে ইফতার পার্টি ও ঈদ বস্র উপহার বিতরণ সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে ৪০০ পরিবারকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সেনবাগে সেলিম উদ্দিন কাজল এর উদ্দ্যোগে দেশবাসীর জন্য দোয়াও মেজবানী অনুষ্ঠিত সেনবাগে কাবিলমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সেনবাগে অসহায় গরীবের মাঝে প্যানেল চেয়ারম্যান স্বপনের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ফরিদপুর জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত মীনার স্বপ্নপূরণের সহযাত্রী ফরিদপুর জেলা প্রশাসন বৃহত্তর গোয়ালচামট বাসীর পক্ষ থেকে শান্তিনিবাসে ইফতার বিতরণ সেনবাগে পৌরমেয়র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম বাবুর করোনাকালীন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সচেতনতা মুলক স্টিকার ও মাস্ক বিতরণ করলো জনপ্রিয় সেচ্ছাসেবী সংঘঠন ত্রিশাল হেল্পলাইন
নোটিশ :
Wellcome to our website...

টাংগাইলের সুরুজ মিঞা রাতারাতি বড়লোক হওয়ার গল্প কী?

প্রথমসংবাদ ডেক্স : / ২৭৪ বার
আপডেটের সময় : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১

অনুসন্ধান প্রতিবেদনঃ টাংগাইলের সুরুজ মিঞা এখন কোটিপতি আর তাই এলাকাবাসীদের মনে নানা প্রশ্ন ঘুড়পাক খাচ্ছে। অশিক্ষিত একজন মানুষ কিছু দিন আগেও তিনি পেশায় ছিলেন একজন রিক্সা চালক। অথচ হটাৎ করে মাএ কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি এখন কোটিপতি। কথায় আছে গরিব হয়ে জন্মানো কোন অন্যায় নয় তবে গরিব হয়ে মৃত্যু বরন করা অন্যায়। হয়তো সেই দৃষ্টি কোন থেকেই তিনি কোটিপতি হতে চেষ্টা করেছেন এমন কি হতে পেরেছেনও বটে। ভালো এমন অদম্য চেষ্টা থাকা ভালো, তবে সে আলাদিনের চেরাগ পেলেন যে সে রাতা রাতি বনে গেলেন কোটি প্রতি। শুধু কোটিপতি হয়ে তিনি থেমে নেই এবার নজর পড়েছে অন্যের জায়গা জমির উপরে। তাই তো সে ৪০/৫০ বছর আগে ক্রয় করা একটি ২ বিঘা সম্পদির দিকে নরজ লাগে তার। জমিটি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি থানার বয়রা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত তালুকদার পরিবার ততকালীন সময়ের রাজদের কাছ থেকে নিলামে ক্রয় করে। সেই জমি টি সুরুজের বাবার বলে তাদের বিরুদ্ধে দেয়া হয় মামলা। মামলা টি বর্তমানে চলোমান। যার জন্য আবাদী জমি এখন অনাবাদিতে পরিণত হয়েছে। এর পর তার বাড়ির পাশ্বের মৃত মজিবর রহমারে এক ছেলের কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করে। অথচ যেখানে অন্য আরেক ছেলে গত ৬/৭ বছর যাবৎ বাড়ি ঘর করে বসত করে আসছিল। বিষয়টি বীরতার ইউনিয়ন এর সুনামধন্য চেয়ারম্যান মো শফিকুল ইসলাম (সফি) কে জানানো হলে। তিনি বিষয়টা মিমাংসার জন্য সেই সময়ে তুখোর ছাএ নেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বানিয়াজান ইউনিয়নের সাবেক ছাএ লীগের সুনামধন্য সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন বিদ্যুৎ কে দ্বায়িত্ব দেন। সে মিমাংসার প্রস্তাব দিলে। তিনি তা নাখোজ করেন। শফিকুর রহমান, কে এম মুখলেছুর রহমানের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করে বসেন তারা। যাহার প্রতিবেদন ৩৪১ ৩৮৫ দ্বারার সত্যতা পায়নি পুলিশ। তবে ৫০৬ দ্বারার সত্যতা পুলিশ পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে । কিন্তু উপস্থিত যে সব ব্যক্তিরা সাক্ষী দিয়েছিল তাদের কে প্রতিবেদন থেকে বাদ রাখা হয়।

তিনি আরো বলেন,এক দাগে ৩৩ শতাংশ জমি যা আমার মা আমি ১৩ এবং এক বোন কে ২০ লিখে দেয় পরবতী সময়ে বোন এর অংশ টা বিক্রয় করে সেখান থেকে ১০ আমি ও আমার আরেক ভাই ১০ ক্রয় করে। জমিটির এক সাইড় দিয়ে ২৩ গ্রাম্যশালির মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয় আমাকে এবং আমি বাড়ি করি পরে আমার ভাই তা মেনে নেয় না যার কারনে ভাই আমার নামে এবং আমার চার ভাই এক বোন ও আমার বউ এর নামে মামলা করে ২০১৫ সালে। সেই মামলা চলমান। ১ বছর আগে এই সুরুজ মিয়া সেই ১০ শতাংশ ক্রয় করে এবং আমার ঘর সরানোর জন্য আমাকে চাপ দেন বিষয় টি চেয়ারম্যান কে বলি সে ছাত্রলীগের এক নেতা কে মিমাংসা করে দিতে বলে কিন্তু তা না শুনে আমার নামে চাঁদাবাজি মামলা করে। কিন্তু প্রতিবেতন আমার পক্ষে দেয় এস আই।শুধু তাই নয় আমার বাবার কবর স্থান ও তার হাত থেকে রক্ষা পাইনি।এই সুরুজ ১২/১৩ আগে এক জন রিক্সা চালক ছিলেন মায়ে মানুষ বাড়িতে কাজ করতেন আজ সে কোটি পতি।বিভিন্ন সময় এলাকর আরো লোকের নামে জমি জমা নিয় আরো মামলা করছেন।এমন কি ৪০/৫০ বছর আগে এক লোক একটি জমি জমিদারদের কাছ থেকে নিলামে ক্রয় কর আবাদ করে আসিতেছিল সেই জমি তার নানার সম্পদি বলে তাদের নামেও করে বসে মামলা সেই দুই বিঘা জমি এখন পতিত। এই সুরুজের বাবা যোদ্ধ পরবর্তী কালিন সময়ে করতে ডাকাতি। নাম করা ডাকাত ছিলেন।তার বংশের মধ্যে তিনি সব চেয়ে টাকা লোক তাই সবাই কে টাকা দিয়ে হাতে রাখেন এবং যেখানে জমি বিষয়ে জামেলা হলে তার দল বল নিয়ে সেখানে চলে যায়।জমি কিনছে আমার ভাই এর কাছ থেকে তার কাছে সে বলবে যে তার জমি তাকে বুঝিয়ে দিতে তাকে না বলে আমার নামে দেয় মামলা আর সেই মামলা তাকে মানা হয় সাক্ষী,
আমার অধিকার হরন করা হইছে আমার জমি থাকার পরেও বাড়ি টিউবওয়েল দিতে পারি না বাথরুম দিতে গেলে আমাকে দেয় বধা আমি রোহিঙ্গাদের চেয়ে খারপ ভাবে আছি এই কি সেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ


এ জাতীয় আরো সংবাদ